Science Related Awesome Tamil Movie !! Hindi Dubbing
★★★সায়েন্স ফিকশন ঘরানার মুভি আমরা কমবেশি সবাই গিলতে উস্তাদ!বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী;গল্প বা মুভি যেটাই বলেন সেটাকে নিয়ে গেছে অন্য মাত্রার এক দুনিয়ায়।তবে সায়েন্স ফিকশন মুভিকেউ হেসে উড়িয়ে দেয়া যায়না।কারণ,আজ যা বিজ্ঞান প্রমাণ করতে পারেনি তা ৫০/১০০/১৫০ বছর পর যে পারবেনা সেরকম কেউ গ্যারান্টি দিতে পারেনা।অন্যান্য ইন্ড্রাস্ট্রির মতোই তামিলে করা হয়েছে কয়েকটি সায়েন্স ফিকশন মুভি।বিক্রম স্যারের ইরু মুগানের কথা আমরা কমবেশি সবাই জানি।
তেমনি সুরিয়ার 24 মুভিটিও সাড়া ফেলেছিলো দর্শক মহলে!মুভিটি সম্পূর্ণ সায়েন্স ফিকশন থ্রিলার ধাচের।
>>> কাহিনী সংক্ষেপ:-ড.সেথুরামান(সুরিয়া)একজন নামকরা বিজ্ঞানী এবং ঘড়ি নির্মাতা যিনি তার স্ত্রী প্রিয়া(নিথিয়া মেনন)এবং নবজাত পুত্র মনির সাথে একটি পরীক্ষাগার সহ জমিদার বাড়িতে জীবনযাপন করতেন।জানুয়ারির ১৯৯০-তে, তিনি একটি ঘড়ি আবিষ্কার করেন যার সাহায্যে একজন ব্যক্তি সময়কে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টার জন্য আগে এবং পিছনে ভ্রমণ করতে পারে।তার খারাপ যমজ ভাই অ্যাথরেয়া (সুরিয়া)তার থেকে ঘড়িটি নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং এই প্রক্রিয়ায় প্রিয়াকে হত্যা করেন।সেথুরামান মনিকে নিয়ে পালিয়ে যান এবং একটি ট্রেনে উঠে পড়েন।অ্যাথরেয়ার সেখানে পৌঁছানো পূর্বে, তিনি মনিকে একজন যাত্রী নাম সত্যাবামার(সরন্না পোনভান্নান)হাতে তুলে দেন এবং তার ছেলেকে বাঁচানোর জন্য সনির্বন্ধ মিনতি করেন।অ্যাথরেয়া সেথুরামানকে হত্যা করেন এবং পালানোর চেষ্টায় গম্ভীরভাবে আহত হন।সত্যাবামার বাবা(গিরীশ কারনাধ) তার মনিকে বাঁচানোর সিদ্ধান্তের বিপক্ষে, এবং তার সেথুরামানকে দেওয়া প্রতিজ্ঞার মান রাখতে তিনি তাকে (মনি)নিয়ে চেন্নাই চলে যান।২৬ বছর পর,মনি(সুরিয়া) একজন ঘড়ি-নির্মাতা হয়ে উঠে যে সত্যাবামাকে নিজের জৈবিক মা হিসেবে মানে।পক্ষাঘাতগ্রস্ত অ্যাথরেয়া অচেতনাবস্থা থেকে জেগে উঠেন এবং ঘড়িটিকে খোঁজার সিদ্ধান্ত নেন; তিনি আশা করে যে তিনি আবার ১৯৯০-তে যাবেন এবং নিজেকে সেই ঘটনা থেকে বাঁচাবেন।ঘটনার ক্রমানুসারে, মনি সেথুরামানের ঘড়িটি খুঁজে পায় এবং এর শক্তি সমন্ধে জানতে পারেন।অ্যাথরেয়ার কাছের সহায়তাকারী মিরাজ(অজয়)একটি বিজ্ঞাপন দেন যা বিশ্লেষণ করে যে সেথুরামানের ঘড়িটি যে ব্যক্তি খুঁজে পাবে তাকে পাঁচ কোটি টাকা দেওয়া হবে।মনির মতো, অনেকেই এই ঘড়ির নকল বানান এবং জমা দেন।কিন্তু অ্যাথরেয়া মনির নির্ভুল নকশার তৈরিকরণ ধরতে পারেন এবং তাকে হত্যা করেন, যার ফলে তিনি ঘড়িটি দখল করতে সক্ষম হন।

>>> এখন প্রশ্ন হলো মনিকে ছবির সেকেন্ড হাফে খুন করলে ছবির বাকি অংশ কি ভিলেন একাই লিড করেছিলো??
>>> নাকি অন্য কারো আবির্ভাব ঘটেছিলো??
>>> জানতে হলে দেখুন তামিল সায়েন্স ফিকশন 24 মুভিটি।
#রিভিউ টি লিখেছেন রনি ভাই
আমি তার পাশা পাশি শুধু সহযোগিতা করলাম
★★পজেটিভ দিক:-সুরিয়া মুভিটাতে নিজেকে একেবারে ঢেলে দিয়েছেন।ভার্সাটাইল এক্টিংয়ের জন্য তিনি কতটা পারফেক্ট তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ এই মুভিটা।সাথে বিভিন্ন জায়গায় A.R Rahman এর মিউজিক বাড়িয়েছে ৩ গুণ থ্রিল!
চারদিকের ব্যাস্ত ক্রাউডে মুভির টার্নিং পয়েন্ট একটুও ওভারলেপ করেনা।স্ল্যাপট্রজ অন্যান্য মুভির তুলনায় কম!অহেতুক কাহিনী ঢুকিয়ে মুভিকে চুইংগামের মতো টেনে লম্বা করা হয়নি।
ডিরেকশন ছিলো মিনারেল ওয়াটারের মতো ক্লিন!
কিন্তু চোখ সবচেয়ে কেড়েছে সুরিয়ার ভার্সেটাইল এক্টিং!ভিলেন,বিজ্ঞানী,এক্টর,প্রতিটা রোলেই একেবারে এটম বোমের মতোন ফাটিয়ে দিয়েছে!
ছবির মাঝে মধ্যে হাল্কা রকমের শীতের রাতে গা ভিজানো টুইস্ট উপভোগ করেছি জম্পেশ।
আমার মতে সুরিয়াকে সবচেয়ে সুন্দর লেগেছিলো এই মুভিতেই!মুভিটি নিজের ফোকাস দিয়ে দর্শককে সেন্ট্রালিস করতে পারে ভালোই।
>>> নেগেটিভ দিক:-মুভিতে সময় নিয়ে যা দেখানো হয়েছে তা সম্পূর্ণ বিজ্ঞান পরিপন্থি।ফিজিক্সের বেড়াজাল ভেদ হয়ে যায়!টাইম ট্রাভেল,টাইম ডেফিনেশন করতে মুভি সম্পূর্ণ ব্যার্থ।যে টাইম ট্রাভেল করছে তার ব্রেন মেমোরি ডমিনেন্ট আর অন্য সবারটা সাবভার্টেড!এটা দেখে হাসি উঠেছিলো।সায়েন্স ফিকশন মুভিতে প্রেম কাহিনী,গান এগুলা কম দিলেই ব্যাটার।
আর পাখিটার রহস্য কিছু খুলে বলেনি।আর ফিজিক্সের ভাষায় বর্ণণা করতে গেলে মুভিতে আরো অসংখ্য মিস্টেক খুজে বের করা যাবে। যাইহোক,এটা একটা মুভি।তারউপর সাউথ মুভি,তাই বিজ্ঞান গত ভুলকে এখানে পাত্তা দিলাম না।কারণ বেশিরভাগ মানুষ উপভোগ করবে অভিনয়।বৈজ্ঞানিক ভুল ত্রুটি নয়।
>>> সর্বোপরি একটা উপভোগ্য একটা মুভি আর উপভোগ্য না হলে কি রিভিও লেখতাম??
আপনাদের ভাল সারা পেলে এরকম আর ও মুভি রিভিউ নিয়া আমি হাজির হব আপানাদের মাঝে। আর আপনাদের Request এ নিউ মুভি ত থাকছেই।
আমার সাথে যোগাযোগ করতে এখানে ক্লিক করুন আর ভাল লাগলে পেইজে একটা লাইক দিবেন।